https://www.somoynews.tv/img/upload/medium/cyber-attc-215830.jpg

করোনার টিকা তৈরির তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টায় হ্যাকাররা!

by

করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে স্বাস্থ্যসেবা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ৪০ জনের বেশি বিশ্বনেতা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চলমান সাইবার হামলাকে মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে, হামলা বন্ধে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

পুরো বিশ্ব প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত। গবেষক এবং বিজ্ঞানীরা করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে মরিয়া, ঠিক তখন বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য খাতের ওপর সাইবার হামলা চালাচ্ছে হ্যাকাররা।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, করোনার টিকা তৈরির গবেষণার তথ্য হাতিয়ে নিতেই নানা চেষ্টা চালাচ্ছে গুপ্তচর সংস্থাগুলো। যদিও এসব হামলার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়েছে কিনা সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে এর ফলে চলমান মহামারি ঠেকানোর প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।


এ অবস্থায় করোনা মহামারির সময় স্বাস্থ্য সেবা এবং মেডিকেল গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা বন্ধের দাবি করে যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক নেতা। সাতজন নোবেল বিজয়ী ছাড়াও বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্ভাচেভ, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন আলব্রাইট, আইএইএ'র সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আল বারাদি, মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের সাবেক হাই কমিশনার রাদ আল হুসেন, মাইক্রোসফট প্রেসিডেন্ট ব্রাড স্মিথের মতো ব্যক্তিত্বরা।

বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চলমান সাইবার হামলা মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। হামলা বন্ধে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তাৎক্ষণিক এবং কার্যকরী ভূমিকা নেওয়া উচিত বলেও এতে উল্লেখ করা হয়। স্বাক্ষরদাতারা বলেন, এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের অবশ্যই ফল ভোগ করা উচিত।

রেড ক্রস প্রেসিডেন্ট পিটার মুরার বলেন, আমরা আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে জরুরি স্বাস্থ্য সংকটের মধ্যে আছি। এরমধ্যে এসব সাইবার হামলা সমগ্র মানবতাকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে। তাই এ বিষয়ে আমাদের সম্মিলিত ব্যবস্থা নিতে হবে।


সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, থাইল্যান্ড, চেক রিপাবলিকসহ বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও গবেষণা লক্ষ্য করে সাইবার হামলার অভিযোগ তোলা হয়। করোনাভাইরাসের মূল্যবান গবেষণা তথ্য হাতিয়ে নিতেই এ ধরণের সাইবার অপরাধীরা এ ধরণের অপরাধ করছে বলে দাবি করা হয়।