https://paloimages.prothom-alo.com/contents/cache/images/1600x0x0/uploads/media/2020/05/25/dde24a9428133216763096d66d95e611-5ecbef31b5f51.jpg
আসোলেশনে থাকা করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের জন্য জেলা প্রশাসকের খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে। সোমবার দুপুর একটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে। ছবি: প্রথম আলো

আইসোলেশনে থাকা রোগীদের জন্য বাসার খাবার পাঠালেন জেলা প্রশাসক

by

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদুল ফিরত উপলক্ষে আসোলেশনে থাকা করোনাভাইরাসের সংক্রমিত রোগী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের জন্য নিজের বাসার খাবার পাঠালেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন। সোমবার দুপুর একটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে এসব খাবার পাঠান জেলা প্রশাসক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশনে দায়িত্ব পালন করা চিকিৎসক, নার্স ও করোনায় আক্রান্ত ১৭ জন রোগীর জন্য সেমাই, মিষ্টি, মালটা, লিচু, আপেল, কমলাসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী পাঠান জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন। জেলা শহরের মেড্ডায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালে জেলা প্রশাসকের এসব খাবার নিয়ে হাজির হন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ বি এম মশিউজ্জামান। এ সময় তাঁর সঙ্গে নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিনি) মোস্তাফিজুর রহমান ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল বাকী উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা আইসোলেশনে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সাকিব হাসানের হাতে এসব খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত রোববার আটজন করোনায় আক্রান্ত হন। এর ফলে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১০০। এর মধ্যে মারা গেছেন দুজন। গত শুক্রবার, শনিবার ও গতকাল রোববার জেলায় ৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্ত ১০০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৬ জন। আর জেলায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত পাঁচ চিকিৎসকের মধ্যে সুস্থ হয়ে চারজন কাজে যোগ দিয়েছেন। বর্তমানে জেলায় আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন ৩৪ জন, ঢাকায় ছয়জন ও কুমিল্লায় একজন। তাদের মধ্যে বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন ১৭ জন।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ বি এম মশিউজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসক ঈদের দিন যা খাবেন, আইসোলেশনে থাকা ১৭ জন রোগী ও দায়িত্বরত চিকিৎসকদের জন্যও সেসব খাবার পাঠিয়েছেন। জেলা প্রশাসন করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।